ছবি: সংগ্রহীত
আবু ইমরোজ
হাওরবেষ্টিত সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের রাড়ইল গ্রাম থেকে এবার বিশ্বমঞ্চে জায়গায় করলে মাশরাফি চৌধুরী ফাইজা। যুক্ত হয়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আয়োজন ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ এই আসরে। তিনি নির্বাচিত হয়েছেন ফুটবল বিশ্বকাপের ২৩তম আসরের অফিসিয়াল অ্যাম্বাসেডর হিসেবে। ফাইজার সাফল্যে তাঁর পরিবার,সুনামগঞ্জ ও সিলেটের জন্য অনন্য গর্বের বিষয়।
কানডার ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থী ফাইজা বিশ্বকাপ উপলক্ষে টরেন্টো শহরের আয়োজিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কার্যক্রমে দায়িত্বপালন করছেন। এ দায়িত্বপালনের মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে আগত অতিথি, ক্রীড়া সংগঠক,কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়দের সাথে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন।
ফাইজার বাবা কানাডা প্রবাসী কমিউনিটি লিডার ও ব্যবসায়ী মুশতাক আহমেদ চৌধুরী জানান,আমার মেয়ের এ অর্জন আমাদের পরিবারের জন্য অত্যান্ত গর্বের বিষয়। শুধু পরিবার নয় পুরো বাংলাদেশের জন্যও এটি গৌরবের। তিনি প্রত্যাশা করেন ভবিষ্যতে তাঁর মেয়ে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।
এবিষয়ে দিরাই উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গোলাপ মিয়া বলেন,ফাইজা শুধু দিরাইয়ের গর্ব নয়। সে সমগ্র দেশের এখন।আমাদের হাওরাঞ্চল থেকে আজকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করছে যা সত্যিই আমাদের আনন্দিত করে। তার যে সক্ষমতা আছে পর্যায়ক্রমে অদূর ভবিষ্যতে বহির্বিশ্বে দেশের নাম আরো ফুটিয়ে তুলবে।
পারিবারিক সুত্রে জানা যায়,ফাইজা সুনামগঞ্জ সমিতি কানাডার সহ-সভাপতি মুশতাক আহমেদ চৌধুরী ও সাবরিনা জাহান আক্তার চৌধুরীে মেয়ে।ছোটবেলা থেকেই সে প্রখর মেধাবী ও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী কাজের মাধ্যমে নিজেকে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে কাজ করার উপযোগী করে গড়ে তুলেছেন তিনি।তাই আজ বিশ্বের সবচেয়ে বড় মেঘা ইভেন্টে তিনি কাজ করছেন।
উল্লেখ্য ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬সালের ২৩তম আসর কানাডা,যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজন করছে। বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের নজর থাকবে এই আয়োজনে। এখানে সুনামগঞ্জের মেয়ে ফাইজার এমন সাফল্য অর্জন দেশের জন্য গৌরব ও সম্মানের।